, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আসন্ন গাজীপুর সিটি নির্বাচন: বিএনপিতে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী, জামায়াতের একক প্রার্থী গাজীপুরে গরু চুরি: উদ্ধার না হলেও মামলার গ্যাঁড়াকলে বাদী, নাটের গুরু শ্রমিক দল নেতা বাবুল নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফের কমলো বিশ্ববাজারে তেলের দাম | ভাঙাগড়া সরকারের খাল খনন বিশাল পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ভেস্তে যাওয়ার সঙ্কা | ভাঙাগড়া এক লাফে লিটারে ২০ টাকা বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম | ভাঙাগড়া ময়মনসিংহে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু ভারতের বিরুদ্ধে ‘চক্রান্তের’ অভিযোগ রিজভীর: ব্রিকস, আদানি বিদ্যুৎ ও আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ রাজধানীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়ার সময় হাতেনাতে আটক ১১ তারেক রহমানের চূড়ান্ত তদারকিতে ছাত্রদলের নতুন কমিটি, ঘোষণার প্রাক্কালে যাদের নাম আলোচনায়

গাজীপুরে গরু চুরি: উদ্ধার না হলেও মামলার গ্যাঁড়াকলে বাদী, নাটের গুরু শ্রমিক দল নেতা বাবুল

বিশেষ প্রতিবেদক।
গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন জাঝর এলাকায় বসতঘরের তালা কেটে প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের তিনটি গবাদিপশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী হাবিবুল্লাহর গোয়ালঘরের তালা কেটে একটি ষাঁড়, একটি গর্ভবতী গাভী ও একটি বাছুর নিয়ে যায় ৫/৬ জনের একদল চোর।

ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে অপরাধীদের একজন প্রতিবেশী নানা অপরাধের সাথে জ্বড়িত চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, ডাকাতী মামলার আসামী ও পুলিশের সোর্স পরিচয়দানকারী মানিক নামক ব্যাক্তিকে শনাক্ত করেন ভুক্তভোগী পরিবার। তবে চুরি হওয়া গরু উদ্ধার এবং চোরকে আইনের আওতায় আনার পরিবর্তে উল্টো ভুক্তভোগী গৃহস্থ ও তার প্রতিবেশীদের নামেই হয়রানী মূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে।

গরুর মালিক হাবিবুল্লাহ বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে প্রতিবেশী মানিককে শনাক্ত করার পর তার বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হয়। এ বিষয়ে শ্রমিক দলের সাবেক গাজীপুর জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবুলকে অবহিত করা হলে তিনি চোরকে মারধর করতে বলেন এবং তার পরিবারের কাছ থেকে জোরপূর্বক জমির দলিল ও ব্যাংকের চেক রেখে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন।
এমনকি তিনি গাছা থানার ওসির সাথে কথা বলে সমাধানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তা না করে উল্টো চোরকে দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধেই থানায় মিথ্যা মামলা করিয়ে দেন। সেই মামলায় আমি ও আমার ছেলে জেল খেটে বের হয়েছি। আমি আমার গরু উদ্ধার ও এই ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই।

এদিকে চুরির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এবং সন্দেহভাজনের বাড়িতে অনুসন্ধানে গিয়ে অযথা হয়রানি ও মিথ্যা মামলার শিকার জাঝর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজ সেবক, গাছা থানা তাতীদল সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, ৩২ নং ওয়ার্ড সভাপতি একই সাথে আসন্ন গাজীপুর সিটি নির্বাচনে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ জাহাঙ্গীর মামুন ও ৩২নং ওয়ার্ড বিএনপি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, স্থানীয় বায়তুল্লাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাধারন সম্পাদক, ওয়াক্পকৃত ঐতিহ্যবাহী গজারীচালা ঈদগাহের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেনকে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে অপরাধী চক্রকে বাদদিয়ে মামলায় অন্যায়ভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজ সেবক, গাছা থানা তাতীদল সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, ৩২ নং ওয়ার্ড সভাপতি একই সাথে আসন্ন গাজীপুর সিটি নির্বাচনে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো: জাহাঙ্গীর মামুন জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর সকালে গরু চুরির খবর পেয়ে তিনি ও ইমরান ভুক্তভোগী হাবিবুল্লাহর বাড়িতে যান। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন মানিকের বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে চলে আসেন। কিন্তু ১০ সেপ্টেম্বর গাছা থানায় দায়ের করা মামলায় ৩২নং ওয়ার্ড বিএনপি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, স্থানীয় বায়তুল্লাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাধারন সম্পাদক, ওয়াক্পকৃত ঐতিহ্যবাহী গজারীচালা ঈদগাহের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেনকে ১ নম্বর এবং তাকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়। উক্ত ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী এই সাজানো মামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি ও নির্দোষদের অব্যাহতির দাবী জানিয়েছেন।

এ দিকে উক্ত ঘটনায় অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসছে চানচাল্যকর তথ্য, জানা যায় গাজীপুর জেলা শ্রমিকদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবুল, গাছা থানা শ্রমিকদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, হাজী মজিবুর রহমান এবং মো.সিফাত মিয়া এই জোরপূর্বক দলিল ও চেক নেওয়ার ঘটনায় সরাসরি জড়িত।

জানাযায় গাজীপুর জেলা শ্রমিকদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবুল চুরির অভিযুক্ত কে আইনের আওতায় আনতে সহযোগিতা ও উক্ত ঘটনার ক্ষতিপূরণ আদায়ের কথাবলে প্রায় ৪০,০০০/- (চল্লিশ হাজার) টাকা নেয়। একই সাথে চুরির অভিযুক্ত মানিকের কাছে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং তার শ্বশুরের নামের জমির দলিল ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের দুটি ব্ল্যাংক চেক জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে উল্টো বাদীর পরিবারসহ বাদীর পক্ষে ও চুরির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা ০২জন বিশিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে হয়রানী মূলক মামলা দেয়া হয়।

এই সংক্রান্ত তথ্য প্রমাণ- মোবাইল ফোনে কথোপকথন রেকর্ড ও ভিডিও অনুসন্ধানী টীমের হাতে এসেছে।

এই বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে, বিস্তারিত দেখতে চোঁখ রাখুন…।

 

জনপ্রিয়

আসন্ন গাজীপুর সিটি নির্বাচন: বিএনপিতে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী, জামায়াতের একক প্রার্থী

error: Content is protected !!

গাজীপুরে গরু চুরি: উদ্ধার না হলেও মামলার গ্যাঁড়াকলে বাদী, নাটের গুরু শ্রমিক দল নেতা বাবুল

প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে

বিশেষ প্রতিবেদক।
গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন জাঝর এলাকায় বসতঘরের তালা কেটে প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের তিনটি গবাদিপশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী হাবিবুল্লাহর গোয়ালঘরের তালা কেটে একটি ষাঁড়, একটি গর্ভবতী গাভী ও একটি বাছুর নিয়ে যায় ৫/৬ জনের একদল চোর।

ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে অপরাধীদের একজন প্রতিবেশী নানা অপরাধের সাথে জ্বড়িত চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, ডাকাতী মামলার আসামী ও পুলিশের সোর্স পরিচয়দানকারী মানিক নামক ব্যাক্তিকে শনাক্ত করেন ভুক্তভোগী পরিবার। তবে চুরি হওয়া গরু উদ্ধার এবং চোরকে আইনের আওতায় আনার পরিবর্তে উল্টো ভুক্তভোগী গৃহস্থ ও তার প্রতিবেশীদের নামেই হয়রানী মূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে।

গরুর মালিক হাবিবুল্লাহ বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে প্রতিবেশী মানিককে শনাক্ত করার পর তার বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হয়। এ বিষয়ে শ্রমিক দলের সাবেক গাজীপুর জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবুলকে অবহিত করা হলে তিনি চোরকে মারধর করতে বলেন এবং তার পরিবারের কাছ থেকে জোরপূর্বক জমির দলিল ও ব্যাংকের চেক রেখে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন।
এমনকি তিনি গাছা থানার ওসির সাথে কথা বলে সমাধানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তা না করে উল্টো চোরকে দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধেই থানায় মিথ্যা মামলা করিয়ে দেন। সেই মামলায় আমি ও আমার ছেলে জেল খেটে বের হয়েছি। আমি আমার গরু উদ্ধার ও এই ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই।

এদিকে চুরির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এবং সন্দেহভাজনের বাড়িতে অনুসন্ধানে গিয়ে অযথা হয়রানি ও মিথ্যা মামলার শিকার জাঝর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজ সেবক, গাছা থানা তাতীদল সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, ৩২ নং ওয়ার্ড সভাপতি একই সাথে আসন্ন গাজীপুর সিটি নির্বাচনে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ জাহাঙ্গীর মামুন ও ৩২নং ওয়ার্ড বিএনপি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, স্থানীয় বায়তুল্লাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাধারন সম্পাদক, ওয়াক্পকৃত ঐতিহ্যবাহী গজারীচালা ঈদগাহের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেনকে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে অপরাধী চক্রকে বাদদিয়ে মামলায় অন্যায়ভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজ সেবক, গাছা থানা তাতীদল সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, ৩২ নং ওয়ার্ড সভাপতি একই সাথে আসন্ন গাজীপুর সিটি নির্বাচনে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো: জাহাঙ্গীর মামুন জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর সকালে গরু চুরির খবর পেয়ে তিনি ও ইমরান ভুক্তভোগী হাবিবুল্লাহর বাড়িতে যান। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন মানিকের বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে চলে আসেন। কিন্তু ১০ সেপ্টেম্বর গাছা থানায় দায়ের করা মামলায় ৩২নং ওয়ার্ড বিএনপি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, স্থানীয় বায়তুল্লাহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাধারন সম্পাদক, ওয়াক্পকৃত ঐতিহ্যবাহী গজারীচালা ঈদগাহের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেনকে ১ নম্বর এবং তাকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়। উক্ত ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী এই সাজানো মামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি ও নির্দোষদের অব্যাহতির দাবী জানিয়েছেন।

এ দিকে উক্ত ঘটনায় অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসছে চানচাল্যকর তথ্য, জানা যায় গাজীপুর জেলা শ্রমিকদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবুল, গাছা থানা শ্রমিকদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, হাজী মজিবুর রহমান এবং মো.সিফাত মিয়া এই জোরপূর্বক দলিল ও চেক নেওয়ার ঘটনায় সরাসরি জড়িত।

জানাযায় গাজীপুর জেলা শ্রমিকদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবুল চুরির অভিযুক্ত কে আইনের আওতায় আনতে সহযোগিতা ও উক্ত ঘটনার ক্ষতিপূরণ আদায়ের কথাবলে প্রায় ৪০,০০০/- (চল্লিশ হাজার) টাকা নেয়। একই সাথে চুরির অভিযুক্ত মানিকের কাছে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং তার শ্বশুরের নামের জমির দলিল ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের দুটি ব্ল্যাংক চেক জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে উল্টো বাদীর পরিবারসহ বাদীর পক্ষে ও চুরির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা ০২জন বিশিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে হয়রানী মূলক মামলা দেয়া হয়।

এই সংক্রান্ত তথ্য প্রমাণ- মোবাইল ফোনে কথোপকথন রেকর্ড ও ভিডিও অনুসন্ধানী টীমের হাতে এসেছে।

এই বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে, বিস্তারিত দেখতে চোঁখ রাখুন…।