, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্দর ও করিডোর নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে: ড. ইউনূস

  • নাজমুল রনি 
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • ৪১ পড়া হয়েছে

বন্দর ও করিডোর সংক্রান্ত ইস্যুতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “মিয়ানমারকে করিডোর দেওয়া হয়েছে” — এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।

ড. ইউনূস বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব রাখাইন রাজ্যে মানবিক বিপর্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে একটি ত্রাণ চ্যানেলের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুর্দশা লাঘব করা ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া। তবে এটি কেবল প্রস্তাব পর্যায়েই ছিল এবং কোনো বাস্তবায়ন হয়নি।

তিনি আরও জানান, এই ধরনের ত্রাণ সহায়তা প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মহলে একটি স্বাভাবিক মানবিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর সঙ্গে কোনো ভূ-রাজনৈতিক করিডোর নীতির সম্পর্ক নেই।

ড. ইউনূস মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, “রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দায়িত্বশীল ভূমিকাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।”

জনপ্রিয়
error: Content is protected !!

বন্দর ও করিডোর নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে: ড. ইউনূস

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

বন্দর ও করিডোর সংক্রান্ত ইস্যুতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “মিয়ানমারকে করিডোর দেওয়া হয়েছে” — এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।

ড. ইউনূস বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব রাখাইন রাজ্যে মানবিক বিপর্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে একটি ত্রাণ চ্যানেলের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুর্দশা লাঘব করা ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া। তবে এটি কেবল প্রস্তাব পর্যায়েই ছিল এবং কোনো বাস্তবায়ন হয়নি।

তিনি আরও জানান, এই ধরনের ত্রাণ সহায়তা প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মহলে একটি স্বাভাবিক মানবিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর সঙ্গে কোনো ভূ-রাজনৈতিক করিডোর নীতির সম্পর্ক নেই।

ড. ইউনূস মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, “রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দায়িত্বশীল ভূমিকাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।”