, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানে পর্যটকদের জন্য খুলল তিন্দু ও নাফাখুমসহ ৪টি আকর্ষণীয় স্থান │ ভাঙাগড়া

ভাঙাগড়া প্রতিবেদন: 

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বান্দরবানের দুর্গম ও জনপ্রিয় কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্র দর্শনার্থীদের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত করেছে জেলা প্রশাসন। এর মাধ্যমে পর্যটকরা আবারও পার্বত্য এই জেলার রূপ-সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন।

সম্প্রতি আয়োজিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসনের এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, থানচি উপজেলার তমাতুঙ্গী থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরত্বের তিন্দু পর্যন্ত এবং তিন্দুমুখ থেকে নাফাখুম ভ্রমণের পথ ও স্পটগুলো পর্যটকদের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে রুমা উপজেলার কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত এলাকা এবং রিজুক ঝরনাও উন্মুক্ত করা হয়েছে। তবে পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে পর্যটকদের নিরাপত্তা নির্দেশিকা ও প্রশাসনিক সব ধরনের বিধি-নিষেধ সতর্কতার সঙ্গে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও সুবিধা সুনিশ্চিত করেই এই স্পটগুলো পরিচালনা করা হবে।

দীর্ঘদিন পর এসব বিনোদনকেন্দ্র চালু হওয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী, ট্যুর গাইড এবং নৌকার মাঝিদের মাঝে। স্থানগুলো সচল হওয়ায় পাহাড়ি এলাকার পর্যটনভিত্তিক অর্থনীতি আবারও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জনপ্রিয়
error: Content is protected !!

বান্দরবানে পর্যটকদের জন্য খুলল তিন্দু ও নাফাখুমসহ ৪টি আকর্ষণীয় স্থান │ ভাঙাগড়া

প্রকাশের সময় : ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

ভাঙাগড়া প্রতিবেদন: 

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বান্দরবানের দুর্গম ও জনপ্রিয় কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্র দর্শনার্থীদের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত করেছে জেলা প্রশাসন। এর মাধ্যমে পর্যটকরা আবারও পার্বত্য এই জেলার রূপ-সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন।

সম্প্রতি আয়োজিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসনের এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, থানচি উপজেলার তমাতুঙ্গী থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরত্বের তিন্দু পর্যন্ত এবং তিন্দুমুখ থেকে নাফাখুম ভ্রমণের পথ ও স্পটগুলো পর্যটকদের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে রুমা উপজেলার কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত এলাকা এবং রিজুক ঝরনাও উন্মুক্ত করা হয়েছে। তবে পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে পর্যটকদের নিরাপত্তা নির্দেশিকা ও প্রশাসনিক সব ধরনের বিধি-নিষেধ সতর্কতার সঙ্গে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও সুবিধা সুনিশ্চিত করেই এই স্পটগুলো পরিচালনা করা হবে।

দীর্ঘদিন পর এসব বিনোদনকেন্দ্র চালু হওয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী, ট্যুর গাইড এবং নৌকার মাঝিদের মাঝে। স্থানগুলো সচল হওয়ায় পাহাড়ি এলাকার পর্যটনভিত্তিক অর্থনীতি আবারও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।